হোম লাইফস্টাইল শীতে ওজন কমানোর কার্যকরী ৪ সমাধান

শীতে ওজন কমানোর কার্যকরী ৪ সমাধান

কর্তৃক KbKfvBxNfAQ
০ কমেন্ট

শরীরের বাড়তি মেদ নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। কোনো মানুষই চান না নিজের শরীরের ওজন বাড়ুক বেড়ে যাক। শীতকালে এমনিতেই যখন সব থমকে থাকে। তাই সেসময় শারীরিক কসরত করারও সুযোগ কম থাকে।

শান্তির ঘুম আর টাটকা সব খাবার সামনে দেখে লোভ সামলাতে না পারায় এ সময় খাওয়া-দাওয়া অনেকাংশে বেড়ে যায়। ফলে বৃদ্ধি পায় শরীরের ওজনও। তবে শীতে চারটি বিষয় মেনে চললে ওজন বাড়ার বিড়ম্বনায় পড়বেন না কেউই। বরং কমবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, যে চার উপায়ে শীতে বাড়বে না ওজন—

শরীর চর্চা

নিজের অলসতাকে আরেকটু ছুটি দিয়ে খোলা পরিবেশে শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আবহাওয়া একটু সহনীয় হয়ে এলে ঘরের বাইরের শারীরিক অনুশীলনগুলো শুরু করা উচিত। এতে করে অভ্যাস বজায় থাকবে এবং দেহের পেশীগুলো সচল থাকবে।

কর্মচঞ্চল থাকা

শীতে ঘরের ভেতরে থাকার মুহুর্তগুলো দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া অব্যাহত রাখার দিকে মনযোগ দিতে হবে। ওয়ার্কআউট ভিডিওগুলোর মাধ্যমে হোম জিম সেট-আপ করা যায়। আর তা যদি খুব একটা সম্ভব না হয়, তাহলে যোগব্যায়ামের মতো ব্যায়ামগুলো যথেষ্ট উপযোগী।

পানিশূন্যতা এড়িয়ে চলা

শীতকালে সবচেয়ে বেশি সমস্যা পানি পানে। অল্প মাত্রায় পানিশূন্যতাও কখনও অতি মাত্রায় ক্ষুধার উদ্রেক ঘটাতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করায় যদি অনেক বেশি আলসেমি থাকে তবে এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য ভেষজ চা পান করতে পারেন। এক কাজে দুই সমাধান হবে— আরামদায়ক তাপমাত্রা সরবরাহও হবে, কেটে যাবে পানিশূন্যতাও।

প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার

শীতের সময় প্রোটিন ও ফাইবার পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাবারগুলো সর্বোত্তম। প্রোটিন পেশী রক্ষণাবেক্ষণ, বিপাক এবং ক্ষুধা কমাতে সহায়তা করে। ফাইবার অল্প খাবারে পাকস্থলির পূর্ণতা বৃদ্ধি ও হজমে সহায়তা করে। ফলে ঘন ঘন খাওয়ার উন্মাদনা কমায়। পাশপাশি ওজন বাড়ার পরিবর্তে কমে।

You may also like

মতামত দিন

About Us

Soledad is the Best Newspaper and Magazine WordPress Theme with tons of options and demos ready to import. This theme is perfect for blogs and excellent for online stores, news, magazine or review sites. Buy Soledad now!

Latest Articles

© ২০২৬ সাতক্ষীরা লাইভ । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
কারিগরি সহযোগিতাঃ দেশি হোস্টিং, আমঝুপি, মেহেরপুর।